নিজস্ব প্রতিনিধি
ব্যক্তিপর্যায়ে সিম কেনার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক প্রয়োজন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে কর্পোরেট সিম ইস্যু করতে শুধু সংশ্লিষ্ট একজনের নামেই প্রয়োজনীয় সবগুলো সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাড়তি সিম ইস্যু করে বাইরে বিক্রি করে আসছিল একটি চক্র।
মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোনের এক কর্মকর্তা ও পরিবেশকের যোগসাজসে গড়ে ওঠা এ চক্রের সরবরাহ করা সিমগুলো পৌঁছে যেত সাধারণত অপরাধীর হাতে। আর এসব সিম ব্যক্তিভেদে ৫শ’ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হতো।
শনিবার (৬ অক্টোবর) রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রামীণফোনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (বিজনেস সেলস) সৈয়দ তানভীরুর রহমান (৩৫) ও পরিবেশক তৌফিক হোসেন খান পলাশকে (৩৮) আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৪)।
এসময় তাদের কাছ থেকে ৫৫৩টি সিম, বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ ও নয়টি ট্যাব উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কারওয়ানবাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) এডিশনাল ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির।